• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম;
মোরেলগঞ্জে সন্ত্রাসের নগ্নরূপ নারী-শিশুকে টার্গেট করে পরিকল্পিত হামলা জমি বিরোধের আড়ালে প্রভাবশালী চক্র? হত্যাচেষ্টা, শ্লীলতাহানি ও লুটপাটে কাঁপছে গ্রাম নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ -সিসিক প্রশাসক সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু এম ইলিয়াস আলী দলের কান্তি লগ্নে সিলেট কে নেতৃত্ব দিয়েছেন – এ্যানি কবিরাজির নামে ভয়ংকর প্রতারণা: সাড়ে ২৭ ভরি স্বর্ণ ও ৩ লাখাধিক টাকা আত্মসাৎ টুটুল সভাপতি, জাকারিয়া সম্পাদক শাহ স্পোর্টিং ক্লাব’র বার্ষিক সিলেটে শিশু একাডেমির সনদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “সন্তানরা নৈতিক ও মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষ হলে ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক গণরায়ের মুখে রাজনীতি সংস্কার নিয়ন্ত্রণ নাকি সমঝোতার পথ

রিপোর্টারের নাম: / ১৩ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

খুলনা, ফুলতলায় পরিকল্পিত,হততা, বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর সাব্বির আহমেদ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত।

অনুসন্ধান কারি,নাহিদা আক্তার লাকী,

, খুলনা,ফুলতলা উপজেলা প্রতিনিধি।১৯শে এপ্রিল ২০২৬ রবিবার, খুলনা।
খুলনা জেলার ফুলতলা থানার দামোদর গ্ৰামে সংঘটিত বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর সাব্বির আহমেদ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য রহস্য উদঘাটিত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে অনুসন্ধানে,এলাকার সর্বস্তরের মানুষ সহ ভিকটিমের সহপাঠীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, নিহত সাব্বির ঘটনার কয়েক দিন আগে ঘাতকদের ইয়াবা ট্যাবলেট (মাদক দ্রব্য)সেবনে বাধা দেয় এবং পরবর্তীতে তাদের বাড়ির আসেপাশে মাদক সেবন করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করে। এই ঘটনার জের ধরেই গত ১৬ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘাতকরা কয়েকজন মিলে সাব্বির আহমেদ সহ আরো দুই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। ঘটনার সাথে সাথে স্থানীয় লোকজন আহতদের ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন, তখন দ্রুত তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাব্বির আহমেদকে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন এবং অপর দুই যুবককে জরুরী চিকিৎসা প্রদান করেন, যাহারা বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।গতকাল ১৭ই এপ্রিল শুক্রবার ময়না তদন্ত শেষে বাদ আসর নিহতের নামাজে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয় এবং একই দিনে নিহতের পিতা এস এম গোলাম মোস্তফা সরদার বাদী হয়ে ফুলতলা থানায় এসে হত্যা মামলা দায়ের করেন। যেহেতু মামলার তৃতীয় দিন অতিবাহিত হতে যাচ্ছে কিন্তু কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি এই মর্মে ফুলতলা থানা পুলিশের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবোর্চ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিদের গ্ৰেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এই হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অতি দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের আসামিদের আটক করে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ