গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন, সদস্যদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় এবং পরবর্তীতে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কমিটি বাতিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বা চাঁদা সংগ্রহ করে তাদের বিভিন্ন পদে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কমিটি গঠনের পর সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণ করলেও কমিটির নির্ধারিত মেয়াদ তখনও শেষ হয়নি—এমন অবস্থায় মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যে কমিটির নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ করে সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কী কারণে এবং কোন সাংগঠনিক ক্ষমতাবলে কমিটি বাতিল করা হলো?
অভিযোগকারীরা আরও বলছেন, কমিটি গঠনের আগে বা সময় সদস্যদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ নেওয়া হয়ে থাকলে, পরবর্তীতে কমিটি বাতিলের পর সেই অর্থের কী হয়েছে—তার স্বচ্ছ হিসাবও প্রয়োজন। অর্থ নেওয়ার রসিদ, ব্যাংক লেনদেন, কমিটি গঠনের নথি এবং বাতিলের সিদ্ধান্ত—সবকিছু প্রকাশ্যে এলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হতে পারে।
বিশেষ করে কমিটি গঠনের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে তা বাতিলের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি করেছে। তারা জানতে চান, কমিটি যদি নিয়মবহির্ভূত হয়ে থাকে, তাহলে অর্থ গ্রহণের আগে বিষয়টি যাচাই করা হয়নি কেন? আর যদি নিয়ম মেনেই কমিটি গঠন করা হয়ে থাকে, তাহলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা বাতিলের কারণ কী?
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া জরুরি। চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের বক্তব্য, কমিটি গঠনের নিয়ম, মেয়াদ, অর্থ গ্রহণের হিসাব এবং কমিটি বাতিলের লিখিত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করলেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।