• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম;
জগন্নাথপুর ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হবে: হাজী জসিম উদ্দিন কেরানীগঞ্জে দিনে-দুপুরে বাড়িতে হামলা-লুটের অভিযোগ, নগদ-রিয়াল ও স্বর্ণসহ ৩৩ লাখ টাকার মালামাল লুট কুলাউড়ার লংলা চা-বাগানের চম্পা নাইডুর স্বপ্নজয়, অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি কুলাউড়ায় শতাধিক ক্লাব সংগঠন পেল ক্রীড়া সামগ্রী মেয়াদ থাকা অবস্থায় কমিটি বাতিল, চাঁদা আদায়ের অভিযোগ—গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দক্ষিণ সুরমায় পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করবে সরকার: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফেঞ্চুগঞ্জ থানার বিশেষ অভিযানে ১৬ বোতল দেশীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কুলাউড়ায় এনসিপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ: আটক ৫ কুলাউড়ায় যানজট নিরসনে এমপি’র কঠোর হুঁশিয়ারী

লামায় সাধারণ কৃষকের নিরাপত্তার আকুতি: চাঁদাবাজি ও

রিপোর্টারের নাম: / ১৪৯ জন দেখেছে
আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

লামায় সাধারণ কৃষকের নিরাপত্তার আকুতি: চাঁদাবাজি ও আতঙ্কের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি
বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবানের লামা উপজেলার ১নং গজালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ক্যসাহোয়াই মারমা (৫৬) নামের এক স্থানীয় কৃষক নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গত ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া অভিযোগে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছে। এ অবস্থায় তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগে চারজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—
শেখুইচিং মারমা (৪৫), পিতা: ক্যমং মারমা
গরা মারমা, পিতা: অংক্য মারমা
আসিংমং মারমা, পিতা: মং মং কারবারী
এথোয়াই সিং মারমা, পিতা: কহো সিং মারমা
এছাড়াও অভিযোগে আরও ৩০–৩৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে এসব কর্মকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ক্যসাহোয়াই মারমা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবার এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় একজন সাধারণ কৃষকের এভাবে প্রকাশ্যে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়া বিষয়টির গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তারা মনে করছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগে নাম উল্লেখ থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতি অনুসারে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে তা প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ