• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম;
মৌলভীবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের মতবিনিময় মুরাদনগরে দুর্গাপূজা ঘিরে বিএনপির মতবিনিময় সভা মুরাদনগরে দুর্গাপূজা ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা, ১০ মিনিটের মধ্যে পুলিশের সাড়া দেওয়ার ঘোষণা দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব আলীর ইন্তেকাল ও জানাজা সম্পন্ন ফরিদগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ তোফায়েল আহমেদের পিতা মরহুম নিয়ামত আলীর স্মরণে ‘স্মৃতি পরিষদ’ গঠন ঢাকা-সিলেট কালনী এক্সপ্রেসে যাত্রীদের চাপ, আসন না পেয়ে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি ডেন্টাল টেকনোলজিস্টের পরিচয়ে রোগী দেখার অভিযোগ, ডিগ্রির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন ফেনীতে চুরি মামলায় ২৪ ঘণ্টায় আসামির সাজা, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮

লামায় সাধারণ কৃষকের নিরাপত্তার আকুতি: চাঁদাবাজি ও

রিপোর্টারের নাম: / ২০৩ জন দেখেছে
আপডেট : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

লামায় সাধারণ কৃষকের নিরাপত্তার আকুতি: চাঁদাবাজি ও আতঙ্কের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি
বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবানের লামা উপজেলার ১নং গজালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ক্যসাহোয়াই মারমা (৫৬) নামের এক স্থানীয় কৃষক নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গত ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া অভিযোগে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছে। এ অবস্থায় তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগে চারজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—
শেখুইচিং মারমা (৪৫), পিতা: ক্যমং মারমা
গরা মারমা, পিতা: অংক্য মারমা
আসিংমং মারমা, পিতা: মং মং কারবারী
এথোয়াই সিং মারমা, পিতা: কহো সিং মারমা
এছাড়াও অভিযোগে আরও ৩০–৩৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে এসব কর্মকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ক্যসাহোয়াই মারমা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবার এবং এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় একজন সাধারণ কৃষকের এভাবে প্রকাশ্যে প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়া বিষয়টির গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তারা মনে করছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগে নাম উল্লেখ থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্যও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতি অনুসারে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে তা প্রকাশ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ